1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান

অ্যান্টার্কটিকায় বরফ সবচেয়ে বেশি থাকার দিনে সবচেয়ে কম!

২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩

এ সময় অ্যান্টার্কটিকা সাগরে সবচেয়ে বড় এলাকা থাকে বরফে ঢাকা৷ দক্ষিণ গোলার্ধের সেই এলাকায় এবার সেই তুলনায় বরফ অনেক কম৷ বিজ্ঞানীরা বলছেন, ১০ সেপ্টেম্বর ৪৪ বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম বরফ ছিল সেখানে, যা নানা কারণেই খুব উদ্বেগজনক৷

https://p.dw.com/p/4WpTZ
অ্যান্টার্কটিকায় বরফ গলছে (ফাইল ফটো)
অ্যান্টার্কটিকায় বরফ গলছে (ফাইল ফটো)ছবি: Sebnem Coskun/AA/picture alliance

অ্যান্টার্কটিকার বরফের পরিমান প্রথম নিরূপন করা হয়েছিল ১৮৭৯ সালে৷ সেই থেকে এত বছর প্রতি ১০ সেপ্টেম্বরে সবচেয়ে বড় এলাকা জুড়ে বরফ দেখা গেছে সেখানে৷ সেপ্টেম্বরের একাদশ দিন থেকে বসন্তের শুভাগমন, ফলে তাপমাত্রা বাড়তে থাকে এবং এর প্রভাবে গলতে থাকে বরফ৷ তাই অ্যান্টার্কটিকা সাগরে বছরের সবচেয়ে বড় বরফাচ্ছাদিত এলাকার তথ্য নিতে এই ১০ সেপ্টেম্বরের দিকেই নজর রাখেন বিজ্ঞানীরা৷

যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল স্নো অ্যান্ড আইস ড্যাটা সেন্টার (এনএসআইডিসি) জানিয়েছে, শীত মৌসুমে অ্যান্টার্কটিকায় এবার বরফ ছিল গত ৪৪ বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম এলাকা জুড়ে৷

এনএসআইডিসি-র তথ্য অনুযায়ী, গত ১০ সেপ্টেম্বর সেখানে বরফ ছিল ১৬.৯৬ মিলিয়ন বর্গ কিলোমিটার (৬৫ লাখ ৫০ হাজার বর্গ মাইল) এলাকা জুড়ে৷

শুনে বিশাল মনে হলেও এই সময়ে এত কম বরফ নাকি ১৯৭৯ সালের পর থেকে কখনোই দেখা যায়নি৷ এক বিবৃতিতে এনএসআইডিসি তাই জানায়, ‘‘১৯৭৯ সাল থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে সাগরে সর্বোচ্চ বরফের বাৎসরিক এ হিসাবটি আসলে বিশাল ব্যাবধানে সবচেয়ে কম৷''

এনএসআইডিসির বিজ্ঞানী ওয়াল্ট মায়ার বলেন, ‘‘এটা শুধু রেকর্ডভাঙা বছর নয়, এটা আসলে চূড়ান্ত রেকর্ডভাঙা বছর৷''

আগের চেয়ে এবার বরফ কতটা কম তা অবশ্য এখনো জানায়নি এনএসআইডিসি৷ বিবৃতিতে তারা বলেছে, আপাতত শুধু প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হলো, পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ প্রকাশ করা হবে এ মাসের শেষে৷

অ্যান্টার্কটিকার বরফ দশকের পর দশক এক ধরনের স্থিতাবস্থা ধরে রাখলেও ২০১৬ সাল থেকে বরফ কমার ধারা লক্ষ্য করা যায়৷ শীতের সময় বাদে মোটামুটি সারা বছরই সেখানে বরফ

কমে৷ তবে শীতের সময় আবার জমতে জমতে সেপ্টেম্বরের ১০ তারিখে বরফ সর্বোচ্চ মাত্রায় পৌঁছাতো৷ এবার সর্বোচ্চ মাত্রা সর্বনিম্নে চলে আসাকে উদ্বেগের কারণ হিসেবে দেখছেন বিজ্ঞানীরা৷

তারা বলছেন, এ কারণে অ্যান্টার্কটিকার প্রাণিদের, বিশেষ করে পেঙ্গুইনদের খুব সমস্যায় পড়তে হবে ৷ পেঙ্গুইন বরফে প্রজনন করে, বরফেই শিশুদের প্রকৃতির সঙ্গে লড়ে বেঁচে থাকার প্রাথমিক পাঠ দেয়৷ বরফ-রাজ্য ছোট হওয়া তাদের জীবনে সংকট বাড়াতে পারে৷

এসিবি, কেএম (রয়টার্স/ এএফপি)